থাইল্যান্ডে 'ওয়ার্ল্ড মিট'-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন বাংলাদেশের ড. মাহবুবুর রহমান
বিশ্বমঞ্চে আরও একবার উজ্জ্বল হলো বাংলাদেশের নাম। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবিক কল্যাণ ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়ার্ল্ড মিট’ কমিটির ভাইস...
বিশ্বমঞ্চে আরও
একবার উজ্জ্বল হলো বাংলাদেশের নাম। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মানবিক কল্যাণ ও বিশ্বশান্তি
প্রতিষ্ঠার অন্যতম বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম ‘ওয়ার্ল্ড
মিট’ কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত
হয়েছেন বাংলাদেশের ড. মো. মাহবুবুর রহমান। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত সংগঠনটির
এক উচ্চপর্যায়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ড. মাহবুবুর রহমান একাধারে
দেশের দৈনিক ইংরেজি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র 'গ্লোবাল নেশন'-এর সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা
এবং ওয়ার্ল্ড মিট বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব
পালন করে আসছেন।ড. মাহবুবুর রহমানের
এই গৌরবময় ও মর্যাদাপূর্ণ অর্জনে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তাঁর এই দায়িত্বপ্রাপ্তির পর যুক্তরাষ্ট্রের টনি টেইলর, হিজ ম্যাজেস্টি কিং সুমফান্ড
রাথাফাত্তায়া, যুক্তরাজ্যের শহীদ মাহমুদ এবং ওয়ার্ল্ড মিট-এর পরিচালক ও ইন্দোনেশিয়ার
পদজাদ্রান কিংডমের হিজ রয়্যাল হাইনেস প্রিন্স ড. এম. এ. আলী পৃথক বার্তায় শুভেচ্ছা
জ্ঞাপন করেন। সংশ্লিষ্ট সকলে ড. মাহবুবুর রহমানকে একজন তরুণ, গতিশীল ও অত্যন্ত মেধাবী
নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব সংগঠনটিকে
বিশ্বজুড়ে আরও বেগবান করবে।মানবিক মূল্যবোধের
বিকাশ এবং বিশ্বজুড়ে শান্তির মিশন নিয়ে প্রতিবছরের মতো এবারও থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত
হতে যাচ্ছে বৈশ্বিক সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড মিট’। এর আগে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাজ্যে
এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরেও থাইল্যান্ডের
ব্যাংককের ঐতিহ্যবাহী 'রয়্যাল রত্নকোসিন হোটেলে' জমকালো আয়োজনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত
হবে। এবারের সম্মেলনে বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার রক্ষা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির
লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি ও শান্তিকামী নেতৃবৃন্দ অংশ নিচ্ছেন।আন্তর্জাতিক এই
সংস্থায় বাংলাদেশের একজন কৃতী সন্তানের শীর্ষ নেতৃত্বে আগমন আমাদের জন্য বড় গৌরবের।
এটি কেবল ড. মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মান
ও কূটনৈতিক ভাবমূর্তিকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর মতো একজন তরুণ গণমাধ্যম কর্মী ও সমাজ
হিতৈষীর হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও যোগ্যতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত
তৈরি হলো। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও মানবতার সেবায় এই অর্জন বাংলাদেশকে
এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।